ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

২০৪৫ সাল পর্যন্ত যমুনা রেলসেতুতে বাণিজ্যিক সুবিধা পাচ্ছেনা রাজশাহী অঞ্চল 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২৬ বার পড়া হয়েছে
আবুল কালাম আজাদ,রাজশাহী : যমুনা রেলসেতু ট্রেন পারাপারে গতি আনতে যমুনায় রেলসেতু নির্মাণ হলেও এর পুরোপুরি সুফল আপতত পাচ্ছেনা রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ। 
যতদিন নাটোরের আব্দুলপুর থেকে রাজশাহী পর্যন্ত ডাবল লাইন নির্মাণ না হবে,ততদিন বাণিজ্যিক সুবিধা পাবে না গুরুত্বপূর্ণ এই দুই জেলার মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। 
রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ২০৪৫ সালের মধ্য রুটটিতে ডাবল ও ডুয়েলগেজ লাইন হতে পারে । তবে আদৌ কাঙ্খিত বাণিজ্যিক সুফল মিলবে কি না- তা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে তথ্যমতে, রেলপথে যোগাযোগের নতুন দ্বার হিসেবে ডুয়েল গেজ ও ডাবল ট্র্যাকে দৃশ্যমান হয়েছে দেশের সব বড় বড় রেলসেতুতে। ৩ বছরের বেশি সময়ে প্রায় ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকায় নির্মিত হয়েছে সেতুটি। বৃহৎ এই অবকাঠামোর ফলে পশ্চিমাঞ্চল রেলের এক হাজার ৭০০ কিলোমিটার পথ ছুটে চলা ৪২টি আন্তঃনগর, ছয়টি আন্তঃদেশীয় ও ১৮টি মালবাহী ট্রেনকে আর থেমে যেতে হবে না সিরাজগঞ্জের যমুনা পাড়ে।
রেল পথের এই নতুন সেতুকে ঘিরে উত্তরের মানুষের স্বপ্ন বেড়েছে বহু গুণ। পণ্য পরিবহন হবে, এই অঞ্চলে বাড়বে শিল্পের বিনিয়োগ, একইসাথে রাজশাহী থেকে কনটেইনার ট্রেন চলবে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত! পাশাপাশি কক্সবাজার পর্যন্ত এক্সপ্রেস বা আন্তঃনগর ট্রেনের প্রত্যাশা এই অঞ্চলের মানুষের।
তবে বাস্তবতা ভিন্ন। যমুনা রেল সেতু থেকে নাটোরের আব্দুলপুর জংশন পর্যন্ত প্রায় ৯১ কিলোমিটার পথ। যার মধ্যে মাত্র ২০ কিলোমিটারে আছে ডাবল রেল লাইন। পাশাপাশি এ পথে ৬৬টি ট্রেনকে পাসিং করতে গতি হারায় ট্রেন, অপচয় হয় সময়। এতে  খুব একটা বাণিজ্যিক সুবিধা হবে না বলছেন ব্যবসায়ীরা।
এছাড়া ট্রেনের গতি বাড়লেও এই রুটে নতুন কোনও ট্রেন যুক্ত হওয়ার সুখবর নেই। বরং নানা সংকটে অন্য রুটগুলোতে অনেক ট্রেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় ২০৪৫ সালের মহাপরিকল্পনার (মাস্টার প্ল্যান) কথা কর্তাদের মুখে। যদিও সেই মাস্টার প্ল্যান কতটা বাস্তবায়ন হবে তা নিয়ে ব্যবসায়ী ও বিশিষ্টজনদের প্রশ্ন রয়েছে।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো বলছে, যমুনা রেলসেতু পারাপারে গতি এলেও দুর্বল রেলপথের কারণে এখনই সে সুবিধা পাবে না রাজশাহী অঞ্চল। উত্তরের ভূগোলে রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের জন্য যমুনা রেলব্রিজের পূর্ণ সেবা পেতে প্রয়োজন আব্দুলপুর থেকে রাজশাহী পর্যন্ত ডাবল রেলের। তবে সে প্রকল্প কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে, তা যেমন নিশ্চিত নয়, যমুনা রেলসেতুর পূর্ণ সেবা প্রাপ্তিও নিশ্চিত নয় রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দাদের জন্য। তাই পূর্ণ সেবার জন্য আরো দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষায় থাকতে হবে দুই অঞ্চলের মানুষকে।
রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু বলেন, আমাদের যমুনা রেল সেতু চালু হয়ে গেলে এটার বিষয়ে আমাদের পশ্চিম রেলের মহাব্যবস্থাপক সহ উর্ধতন কর্তাদের সাথে বসতে হবে। কারণ এই অঞ্চলে যে ট্রেনের বগিগুলো দেবে সেগুলোতে আমরা ব্যবসার জন্য কী রকম সুযোগ-সুবিধা পাবো, জানার চেষ্টা করবো।
বাংলাদেশ রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি লিয়াকত আলী বলেন, সারাদেশের অন্তত বিভাগগুলোতে যদি আমরা সরাসরি পৌঁছাতে পারতাম, তাহলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক যে দুরবস্থা সেটা কিন্তু লাঘব হতো।
রহমান জুট মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুর রহমান বলেন, জুট মিলের যে প্রোডাক্টগুলো আমরা এক্সপোর্ট করি সেটা তো রাজশাহী থেকে একেবারে চট্টগ্রাম পোর্ট পর্যন্ত পৌঁছাতে হয়। স্টেশন থেকে আবার পরে পোর্টে নিয়ে যেতে হবে, সেক্ষেত্রে কেরিং খরচ ডাবল হেয় যাবে। সেজন্য পরিবহনের ক্ষেত্রে এটায় আমাদের খুব একটা লাভ হবে না।
রেলওয়ে শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন,রাজশাহী অন্চলের ব্যবসায়ীদের ব্যবসার  প্রসার ও যাত্রী সেবার জন্য আব্দুলপুর থেকে রাজশাহী ট্রেন রুটটি ডবল হওয়া জরুরী।এটা এঞ্চলের সবার প্রানের যৌক্তিক দাবি।এক যুগের উপরে আমরা কিন্তু সরকারকে জানিয়ে আসছি যে, রাজশাহী অঞ্চলে ডাবল লাইনটা দিতে হবে। এটা না হলে কিন্তু ব্রিজ যেটা হচ্ছে বাস্তবায়ন হলেও আমরা মনে করি যে সুযোগ-সুবিধা থেকে আমরা বঞ্চিত হবো।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম বলেন, যমুনা সেতু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের ট্রেন বাড়ানো সম্ভব হবে না। একাধিক কারনে আমাদের ২০৪৫ সাল পর্যন্ত একটা মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ফেস বাই ফেস ইউনিগেজে চলে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। দুইটি বন্দরের সাথে কানেকশন তৈরি করার একটি বিষয় আছে। অলরেডি মংলা বন্দরের সাথে কানেকশন তৈরি করে ফেলেছি। পোর্ট ফ্যাসিলিটিস পাওয়ার কারণে দুটি প্রজেক্টই আমাদের পাইপলাইনে আছে।
তিনি আরও বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে উত্তরাঞ্চলের যে জেলা আছে সেগুলোতে প্রায় ১২০ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এখানে সময়ের সার্থে অর্থের একটা সম্পর্ক আছে। এদিক দিয়ে দেখলে এটা হলে এই অঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হবে। আর রাজশাহী থেকে আব্দুলপুর ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে। অলরেডি কিছু রিপোর্ট সাবমিট করা হয়েছে। প্রাথমিক একটা ধাপ বা ফান্ডিং সার্চ করার স্টেপ আমরা নিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২০৪৫ সাল পর্যন্ত যমুনা রেলসেতুতে বাণিজ্যিক সুবিধা পাচ্ছেনা রাজশাহী অঞ্চল 

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
আবুল কালাম আজাদ,রাজশাহী : যমুনা রেলসেতু ট্রেন পারাপারে গতি আনতে যমুনায় রেলসেতু নির্মাণ হলেও এর পুরোপুরি সুফল আপতত পাচ্ছেনা রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ। 
যতদিন নাটোরের আব্দুলপুর থেকে রাজশাহী পর্যন্ত ডাবল লাইন নির্মাণ না হবে,ততদিন বাণিজ্যিক সুবিধা পাবে না গুরুত্বপূর্ণ এই দুই জেলার মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। 
রেল কর্তৃপক্ষ বলছে, মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ২০৪৫ সালের মধ্য রুটটিতে ডাবল ও ডুয়েলগেজ লাইন হতে পারে । তবে আদৌ কাঙ্খিত বাণিজ্যিক সুফল মিলবে কি না- তা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে তথ্যমতে, রেলপথে যোগাযোগের নতুন দ্বার হিসেবে ডুয়েল গেজ ও ডাবল ট্র্যাকে দৃশ্যমান হয়েছে দেশের সব বড় বড় রেলসেতুতে। ৩ বছরের বেশি সময়ে প্রায় ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকায় নির্মিত হয়েছে সেতুটি। বৃহৎ এই অবকাঠামোর ফলে পশ্চিমাঞ্চল রেলের এক হাজার ৭০০ কিলোমিটার পথ ছুটে চলা ৪২টি আন্তঃনগর, ছয়টি আন্তঃদেশীয় ও ১৮টি মালবাহী ট্রেনকে আর থেমে যেতে হবে না সিরাজগঞ্জের যমুনা পাড়ে।
রেল পথের এই নতুন সেতুকে ঘিরে উত্তরের মানুষের স্বপ্ন বেড়েছে বহু গুণ। পণ্য পরিবহন হবে, এই অঞ্চলে বাড়বে শিল্পের বিনিয়োগ, একইসাথে রাজশাহী থেকে কনটেইনার ট্রেন চলবে চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত! পাশাপাশি কক্সবাজার পর্যন্ত এক্সপ্রেস বা আন্তঃনগর ট্রেনের প্রত্যাশা এই অঞ্চলের মানুষের।
তবে বাস্তবতা ভিন্ন। যমুনা রেল সেতু থেকে নাটোরের আব্দুলপুর জংশন পর্যন্ত প্রায় ৯১ কিলোমিটার পথ। যার মধ্যে মাত্র ২০ কিলোমিটারে আছে ডাবল রেল লাইন। পাশাপাশি এ পথে ৬৬টি ট্রেনকে পাসিং করতে গতি হারায় ট্রেন, অপচয় হয় সময়। এতে  খুব একটা বাণিজ্যিক সুবিধা হবে না বলছেন ব্যবসায়ীরা।
এছাড়া ট্রেনের গতি বাড়লেও এই রুটে নতুন কোনও ট্রেন যুক্ত হওয়ার সুখবর নেই। বরং নানা সংকটে অন্য রুটগুলোতে অনেক ট্রেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এমন বাস্তবতায় ২০৪৫ সালের মহাপরিকল্পনার (মাস্টার প্ল্যান) কথা কর্তাদের মুখে। যদিও সেই মাস্টার প্ল্যান কতটা বাস্তবায়ন হবে তা নিয়ে ব্যবসায়ী ও বিশিষ্টজনদের প্রশ্ন রয়েছে।
ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো বলছে, যমুনা রেলসেতু পারাপারে গতি এলেও দুর্বল রেলপথের কারণে এখনই সে সুবিধা পাবে না রাজশাহী অঞ্চল। উত্তরের ভূগোলে রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের জন্য যমুনা রেলব্রিজের পূর্ণ সেবা পেতে প্রয়োজন আব্দুলপুর থেকে রাজশাহী পর্যন্ত ডাবল রেলের। তবে সে প্রকল্প কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে, তা যেমন নিশ্চিত নয়, যমুনা রেলসেতুর পূর্ণ সেবা প্রাপ্তিও নিশ্চিত নয় রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দাদের জন্য। তাই পূর্ণ সেবার জন্য আরো দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষায় থাকতে হবে দুই অঞ্চলের মানুষকে।
রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু বলেন, আমাদের যমুনা রেল সেতু চালু হয়ে গেলে এটার বিষয়ে আমাদের পশ্চিম রেলের মহাব্যবস্থাপক সহ উর্ধতন কর্তাদের সাথে বসতে হবে। কারণ এই অঞ্চলে যে ট্রেনের বগিগুলো দেবে সেগুলোতে আমরা ব্যবসার জন্য কী রকম সুযোগ-সুবিধা পাবো, জানার চেষ্টা করবো।
বাংলাদেশ রেশম শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি লিয়াকত আলী বলেন, সারাদেশের অন্তত বিভাগগুলোতে যদি আমরা সরাসরি পৌঁছাতে পারতাম, তাহলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক যে দুরবস্থা সেটা কিন্তু লাঘব হতো।
রহমান জুট মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুর রহমান বলেন, জুট মিলের যে প্রোডাক্টগুলো আমরা এক্সপোর্ট করি সেটা তো রাজশাহী থেকে একেবারে চট্টগ্রাম পোর্ট পর্যন্ত পৌঁছাতে হয়। স্টেশন থেকে আবার পরে পোর্টে নিয়ে যেতে হবে, সেক্ষেত্রে কেরিং খরচ ডাবল হেয় যাবে। সেজন্য পরিবহনের ক্ষেত্রে এটায় আমাদের খুব একটা লাভ হবে না।
রেলওয়ে শ্রমিকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন,রাজশাহী অন্চলের ব্যবসায়ীদের ব্যবসার  প্রসার ও যাত্রী সেবার জন্য আব্দুলপুর থেকে রাজশাহী ট্রেন রুটটি ডবল হওয়া জরুরী।এটা এঞ্চলের সবার প্রানের যৌক্তিক দাবি।এক যুগের উপরে আমরা কিন্তু সরকারকে জানিয়ে আসছি যে, রাজশাহী অঞ্চলে ডাবল লাইনটা দিতে হবে। এটা না হলে কিন্তু ব্রিজ যেটা হচ্ছে বাস্তবায়ন হলেও আমরা মনে করি যে সুযোগ-সুবিধা থেকে আমরা বঞ্চিত হবো।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম বলেন, যমুনা সেতু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের ট্রেন বাড়ানো সম্ভব হবে না। একাধিক কারনে আমাদের ২০৪৫ সাল পর্যন্ত একটা মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়েছে। সেখানে ফেস বাই ফেস ইউনিগেজে চলে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। দুইটি বন্দরের সাথে কানেকশন তৈরি করার একটি বিষয় আছে। অলরেডি মংলা বন্দরের সাথে কানেকশন তৈরি করে ফেলেছি। পোর্ট ফ্যাসিলিটিস পাওয়ার কারণে দুটি প্রজেক্টই আমাদের পাইপলাইনে আছে।
তিনি আরও বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে উত্তরাঞ্চলের যে জেলা আছে সেগুলোতে প্রায় ১২০ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এখানে সময়ের সার্থে অর্থের একটা সম্পর্ক আছে। এদিক দিয়ে দেখলে এটা হলে এই অঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হবে। আর রাজশাহী থেকে আব্দুলপুর ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে। অলরেডি কিছু রিপোর্ট সাবমিট করা হয়েছে। প্রাথমিক একটা ধাপ বা ফান্ডিং সার্চ করার স্টেপ আমরা নিয়েছি।