ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

সংসদে প্রথম আলো সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী যা বললেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩ ৮০ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রথম আলো আওয়ামী লীগের শত্রু। প্রথম আলো গণতন্ত্রের শত্রু। প্রথম আলো দেশের মানুষের শত্রু।

জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অধিবেশনে আজ সোমবার সমাপনী ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

ভাষণে স্বাধীনতা দিবসের দিন দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি খবরের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা ছোট্ট শিশুর হাতে ১০টা টাকা দিয়ে তাকে দিয়ে একটা মিথ্যা বলানো। শিশুর মুখ থেকে কিছু কথা বলানো। কী কথা! ভাত-মাছ-মাংসের স্বাধীনতা চাই। একটা সাত বছরের শিশু। তার হাতে ১০টা টাকা তুলে দেওয়া এবং তার কথা রেকর্ড করে সেটা প্রচার করা- স্বনামধন্য এক পত্রিকা। খুউবই পপুলার। নাম তার প্রথম আলো। কিন্তু বাস করে অন্ধকারে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এটা অত্যন্ত দু:খের সাথে বলি- যে এরা এই দেশে কখনোই স্থিতিশীলতা থাকতে দিতে চায় না।’

ওয়ান ইলেভেনে প্রথম আলো ও আরেকটি পত্রিকার ভূমিকার সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৭ সালে যখন ইমার্জেন্সি হয়, তখন তারা উৎফুল্ল। ২টি পত্রিকা। আদাজল খেয়ে নেমে গেল। বাহবা কুড়ালো।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আর তার সঙ্গে আছে একজন সুদখোর। বড়ই প্রিয় আমেরিকার। আমেরিকা একবারও জিজ্ঞাসা করে না- যে একটা ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক; এটা তো একটা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। সরকারের বেতন তুলত যে এমডি, সে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার কোথা থেকে পেল যে আমেরিকার মতো জায়গায় সামাজিক ব্যবসা করে, বিনিয়োগ করে দেশে-বিদেশে। এই অর্থ কোথা থেকে আসে? এটা কী জিজ্ঞাসা করেছে কখনো তারা? জিজ্ঞাসা করেনি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সংসদে প্রথম আলো সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী যা বললেন

আপডেট সময় : ১২:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রথম আলো আওয়ামী লীগের শত্রু। প্রথম আলো গণতন্ত্রের শত্রু। প্রথম আলো দেশের মানুষের শত্রু।

জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অধিবেশনে আজ সোমবার সমাপনী ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

ভাষণে স্বাধীনতা দিবসের দিন দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি খবরের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা ছোট্ট শিশুর হাতে ১০টা টাকা দিয়ে তাকে দিয়ে একটা মিথ্যা বলানো। শিশুর মুখ থেকে কিছু কথা বলানো। কী কথা! ভাত-মাছ-মাংসের স্বাধীনতা চাই। একটা সাত বছরের শিশু। তার হাতে ১০টা টাকা তুলে দেওয়া এবং তার কথা রেকর্ড করে সেটা প্রচার করা- স্বনামধন্য এক পত্রিকা। খুউবই পপুলার। নাম তার প্রথম আলো। কিন্তু বাস করে অন্ধকারে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এটা অত্যন্ত দু:খের সাথে বলি- যে এরা এই দেশে কখনোই স্থিতিশীলতা থাকতে দিতে চায় না।’

ওয়ান ইলেভেনে প্রথম আলো ও আরেকটি পত্রিকার ভূমিকার সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৭ সালে যখন ইমার্জেন্সি হয়, তখন তারা উৎফুল্ল। ২টি পত্রিকা। আদাজল খেয়ে নেমে গেল। বাহবা কুড়ালো।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আর তার সঙ্গে আছে একজন সুদখোর। বড়ই প্রিয় আমেরিকার। আমেরিকা একবারও জিজ্ঞাসা করে না- যে একটা ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক; এটা তো একটা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। সরকারের বেতন তুলত যে এমডি, সে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার কোথা থেকে পেল যে আমেরিকার মতো জায়গায় সামাজিক ব্যবসা করে, বিনিয়োগ করে দেশে-বিদেশে। এই অর্থ কোথা থেকে আসে? এটা কী জিজ্ঞাসা করেছে কখনো তারা? জিজ্ঞাসা করেনি।’